INDI Alliance Protest

ফের এফআইআরের মুখে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা! পুলিশের কাজে বাধা, হামলার অভিযোগে দিল্লিতে নতুন মামলা

এ বার তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এ রাহুল-প্রিয়ঙ্কা ছাড়াও কংগ্রেসের কয়েক জন নেতা, কর্মী ও সমর্থকের নাম রয়েছে।

রাহুল গাঁধী ও প্রিয়াঙ্কা গাঁধী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১৩

দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঘিরে ফের এফআইআর দায়ের হল রাহুল গাঁধী এবং প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বাড্রার বিরুদ্ধে। এ বার তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এ রাহুল-প্রিয়ঙ্কা ছাড়াও কংগ্রেসের কয়েক জন নেতা, কর্মী ও সমর্থকের নাম রয়েছে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বুধবারের বিক্ষোভ থেকে মোট ৯১ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সাংসদদের পাশাপাশি বিভিন্ন দলের কর্মী-সমর্থকেরাও রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

মঙ্গলবারের পর বুধবারও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে ‘ইন্ডি’র সাংসদেরা দিল্লির রাজপথে বিক্ষোভে নামেন। এ দিন তাঁরা বাসে করে যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছোনোর আগেই মাঝপথে তাঁদের বাস আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। কয়েক জন বিরোধী সাংসদ বাসের ছাদে উঠে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে রাহুল, প্রিয়ঙ্কা-সহ কয়েক জন সাংসদ রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ জানান। পুলিশ তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাঁদের আটক করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার নির্বাচন সদনমুখী ‘ইন্ডি’র মিছিল চলাকালীন আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢুকে পড়েছিলেন রাহুল, প্রিয়ঙ্কা-সহ বিরোধী সাংসদেরা। পুলিশের দাবি, ওই এলাকায় ঢোকার জন্য তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় অনুমতি ছিল না। সেই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরই বুধবার রাহুল-প্রিয়ঙ্কা-সহ বিরোধী সাংসদদের বিরুদ্ধে প্রথম এফআইআর দায়ের করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য, মঙ্গলবার বার বার ওই এলাকা ছেড়ে যাওয়ার জন্য বিক্ষোভকারীদের অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সরে যেতে রাজি হননি। অন্য দিকে, রাহুলদের দাবি ছিল, আগে বিরোধী সাংসদদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দেখা করতে হবে। দিল্লি পুলিশের দাবি, তাদের হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আকাশবাণী ভবন চত্বর থেকে রাহুল ও প্রিয়ঙ্কাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের নিউ পুলিশ লাইন্সে আটক রাখা হয়েছিল। পরে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বার সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাহুল-প্রিয়ঙ্কার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগে আরও একটি এফআইআর দায়ের করল দিল্লি পুলিশ।


Share