Police Beaten

গার্ডেনরিচ হাসপাতালে ঢুকে ভিডিয়ো করতে বাধা দিলে পুলিশকর্মীদের মারধর! সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ, আটক তিন আইএসএফ কর্মী

পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে গার্ডেনরিচ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির খবর পুলিশের কাছে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশকর্মীরা পৌঁছোন।

গার্ডেনরিচ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১২:১১

গার্ডেনরিচ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তিন আইএসএফ কর্মীর বিরুদ্ধে। গতকাল দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে গার্ডেনরিচ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির খবর পুলিশের কাছে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশকর্মীরা পৌঁছোন। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান, ওপিডি টিকিট কাউন্টারের কাছে হাসপাতালের নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে মোবাইলে ভিডিয়ো করছেন তিন যুবক। হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে বচসা চলছে। এমনকী, হাসপাতালকর্মীদের উদ্দেশ্য করে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যও দিচ্ছেন। এর ফলে হাসপাতাল চত্বরে অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়।

অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তব্যরত পুলিশকর্মী প্রকাশ ঠাকুর ও মহম্মদ আজিবুদ্দিন ওই তিন যুবককে ভিডিয়ো বন্ধ করা বন্ধ করতে বলেন। প্রকাশ হোমগার্ড এবং আজিবুদ্দিন কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন। ওই নিষিদ্ধ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু তাঁরা পুলিশের নির্দেশ অমান্য করেন। এমনকী, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ মোট চার জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। যদিও প্রাথমিক অভিযোগে তিন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের নাম— শেখ সলমন (২৯), মহম্মদ সাহিল (২৯) এবং সানাউল্লাহ খান (৩১)। তাঁদের আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পুলিশের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ১৩২, ৩২৯(৩) এবং ৩৫(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী আইনানুগ পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে লালবাজার জানিয়েছে।


Share    

ISF