CJP Protest

আবার যন্তর মন্তরে হবে ‘নাটক’! শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হতে চলেছে ককরোচ নেতারা

রবিবার রাতে ককরোচদের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সমাজমাধ‍্যমে জানান, তিনি, সৌরভ দাস এবং রত্না সিংহ পার্লামেন্টে স্ট্রিট থানায় যাবেন। সোমবার সকাল ১০টার পরে তাঁরা থানায় গিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার অনুমতি চাইবেন। যদি পুলিশের তরফে কোনও অনুমতি না দেওয়া হয় তা হলে আবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২৭

আবার যন্তর মন্তরে ‘নাটক’ করতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হতে চলেছে ককরোচ পার্টির নেতারা। সোমবার সকাল ১০টার পরে ককরোচ পার্টির নেতাদের যাওয়ার কথা রয়েছে। তাঁদের দাবি, যন্তর মন্তরে ‘শান্তিপূর্ণ’ বিক্ষোভ করতে চায়। সেই আন্দোলন করার অনুমতি চেয়ে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় তাঁরা যাবেন।

রবিবার রাতে ককরোচদের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সমাজমাধ‍্যমে জানান, তিনি, সৌরভ দাস এবং রত্না সিংহ পার্লামেন্টে স্ট্রিট থানায় যাবেন। সোমবার সকাল ১০টার পরে তাঁরা থানায় গিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার অনুমতি চাইবেন। যদি পুলিশের তরফে কোনও অনুমতি না দেওয়া হয় তা হলে আবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তাঁরা পুলিশের অনুমতির অপেক্ষা করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁদের দাবি ২৪ ঘন্টার মধ্যে একটি দিন স্থির করে তাঁদের ‘নাটক’-এর জন‍্য বরাদ্দ করতে হবে।

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ তুলে মূখ‍্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এই বিক্ষোভ করতে চান। এর আগে, গত শনিবার, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ওই দিন ২৪০টি ট্রেন বালির করা হয়। ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। সকাল থেকে ধরপাকড় শুরু হয়। প্রায় দু’হাজারের বেশি ককরোচ আটক করা হয়। ওই দিন বিমানবন্দর থেকে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। রবিবার তাঁদের গ্রেফতার করে। এক্সিকিউটিভ ম‍্যাজিস্ট্রটের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা বন্ডে জামিন মেলে।

তবে এই সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তার পরেও রাস্তায় ককরোচদের ‘নাটক’ অব্যাহত রয়েছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই সংক্রান্ত তাঁদের জিজ্ঞেস করা হলে, সেই প্রশ্ন তাঁরা এড়িয়ে গিয়েছেন। মনের মতো প্রশ্ন না হওয়ায় সাংবাদিকদের যোগ্য‍তা প্রশ্ন তোলে সৌরভরা।

অন‍্য দিকে, গত শনিবার লোক আসবে না ভেবেই আগেভাগে পুলিশের হাতে ককরোচ নেতারা ধরা দিয়েছিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সমাজমাধ‍্যমে গড়ে উঠেছিল ককরোচ পার্টি। তাদের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তাই শনিবারের আন্দোলন ‘ফ্লপ’ হওয়ার পরে আবার বিক্ষোভের ডাক তাঁরা দিতে চায়।


Share