CJP Protest

দিল্লিতে ‘ককরোচ’ নেতাদের গ্রেফতার, দুই নেতার পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

বুধবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

(বাঁ দিক থেকে) অজিঙ্ক শিন্দে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৪৪

দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের অভিযোগে ‘ককরোচ’দের তিন নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্কা শিন্ডেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। বুধবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের অভিযোগ, মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে প্রবেশের জন্য ব্যারিকেড টপকে নির্ধারিত এলাকায় ঢুকে পড়েন ওই নেতারা। সেখানে নানা স্লোগান দেন তাঁরা। উল্লেখ্য, যন্তর মন্তরকে সম্প্রতি বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, অননুমোদিত প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, আগের একটি বিক্ষোভের পর সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা সেই আইনি শর্ত মানেননি।

অন্য দিকে, ককরোচদের আইনি দলের প্রধান রত্না সিংহ অভিযোগ করেছেন, আটক নেতাদের দীর্ঘ সময় আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ও আদালতের পর্যবেক্ষণ আলাদা। কার্যতই রত্না সিংহ ‘মিথ‍্যা বলছেন’ বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-কে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছে CJP-সহ একাধিক সংগঠন। তাদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। যন্তর মন্তরে প্রবেশকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।


Share