Nepal Disaster

নেপালে ফের হড়পা বান! জলের তোড়ে ভাসল বাড়িঘর, তলিয়ে গেল একাধিক সেতু

প্রবল জলস্রোতে ভেসে যায় বাড়িঘর, তলিয়ে যায় একাধিক সেতু। পাথর, কাদা মেশানো কালো জলের তোড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে নদী সংলগ্ন এলাকা। পরিস্থিতি আঁচ করে তড়িঘড়ি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীর ধারের বাসিন্দারা।

নেমে আসছে হড়পা বান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নেপাল
  • শেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১২:০৯

ফের প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেপালে। রবিবার ভোরে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে হড়পা বান নামে। প্রবল জলস্রোতে ভেসে যায় বাড়িঘর, তলিয়ে যায় একাধিক সেতু। পাথর, কাদা মেশানো কালো জলের তোড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে নদী সংলগ্ন এলাকা। পরিস্থিতি আঁচ করে তড়িঘড়ি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীর ধারের বাসিন্দারা। নেপালের গোর্খা অঞ্চলে পাহাড় থেকে নেমে আসা জলস্রোতের জেরেই এই বিপর্যয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, শনিবার রাতে গোর্খা জেলায় ধসের কারণে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে একটি অস্থায়ী জলাধার তৈরি হয়। রবিবার ভোরে সেই জলাধার ভেঙে হড়পা বান নামে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভোরের এই বিপর্যয়ের পর গোর্খা, ধাদিং ও চিতোয়ান জেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বুড়ি গণ্ডকী নদীর জল। ফলে নতুন করে বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি জানিয়েছে, চুমনুব্রি গ্রামীণ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই হড়পা বান নেমে আসে। গোর্খার চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার ধর্মেন্দ্রকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, রবিবার ভোর ৪টে ৩৫ মিনিট নাগাদ বড়সড় হড়পা বান আছড়ে পড়ে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু বা আহত হওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের ভোটকোশি নদীতে ভয়াবহ হড়পা বান নেমেছিল। সেই বিপর্যয়ে ১০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। ঘরছাড়া হয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি। সেই বিপর্যয়ের ক্ষত পুরোপুরি শুকানোর আগেই ফের হড়পা বান নেপালে। নতুন করে এই দুর্যোগে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।


Share