Sourav Das Arrested

ককরোচ নেতা সৌরভ-আশুতোষরা কোন আইনে গ্রেফতার? জানাল দিল্লি পুলিশ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত

ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

CJP নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১১:২৬

দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। বুধবার, ১৪ অক্টোবর, তাঁদের দিল্লির বিশেষ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশ করা হয়। এরপরই তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনায় কী কী আইনে মামলা দায়ের হয়েছে, তা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্কা শিন্ডেকে আটক করা হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করার পরেও তাঁরা সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অভিযোগ, তালাবন্ধ গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি স্লোগান দেন তাঁরা। এরপরই তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের দাবি, অনুমতি ছাড়া প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞা অমান্য, শান্তি বজায় রাখার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ এবং সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে একটি বিক্ষোভের ঘটনায় আটক হওয়ার পর সৌরভ ও আশুতোষ এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেই শর্ত ভাঙার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ বিরোধী শিবিরের একাধিক সংগঠন। যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করেছে CJP। প্রশাসনের তরফে বিকল্প বিক্ষোভস্থল হিসেবে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড ও CBD গ্রাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।


Share